শিরোনামঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসিম উদ্দিন হলের ২১৪ নাম্বার গণরুমে জায়গা নিয়ে গতকাল বুধবার (১৩ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারন সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল দুপুরে গণরুমে শোয়ার জায়গা নিয়ে জয়ের অনুসারী তানভীর ও লেখকের অনুসারী জুবায়েরের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে গ্রুপ দুটির অন্যান্য অনুসারীরা যুক্ত হয়। পরবর্তীতে রাতে দুই গ্রুপের সদস্যরা ডামবেল নিয়ে একে অন্যের উপর আক্রমণ করে। এতে হলে উতপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করে।
এ সময় পরিস্থতি শিথিল করতে হল সংসদের সহ-সাধারন সম্পাদক (এজিএস) সাইফুল ইসলাম, পাঠচক্র সম্পাদক নাসির উদ্দিন, অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান এবং সদস্য আব্দুল্লাহ শোহাগ সেখানে যায়। সেখানে গিয়ে হল সংসদের এজিএস সাইফুল ইসলাম আফিককে রুমের বাইরে নিয়ে আসে। সে মীমাংসা করার চেষ্টা করে।
এদিকে সংঘর্ষের খবর শুনে হলের প্রোভোস্ট অধ্যাপক ড. রহমতুল্লাহ ও হাউস টিউটর শহীদুল ইসলাম আসেন এবং উভয় পক্ষকে নিয়ে হল অফিসে আলোচনায় বসেন।
উল্লেখ্য, ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত রিয়ান নাঈম ও আশিক বিভিন্ন সময় ক্যাম্পাসে ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরণের অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত থাকে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং তাদের দলের অন্য এক সদস্য হিজবুল্লাহ ছিনতাই মামলায় কারাগারে আছেন।
পরবর্তীতে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থীদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা একে অপরের উপর পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তোলেন।
ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত রিয়ান বলেন, দুপুরের ঘটনার পর আমরা রাতে রুমে আসলে ওরা (লেখক ভট্টাচার্যের অনুসারী) প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের প্রায় ১০ থেকে ১৫ জন এসে আমাদের উপর আক্রমণ করে। এতে আমাদের কয়েকজন আহত হয়। এসময় ওদের গ্রুপের সিনিয়রাও অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে আর জুনিয়রা আমাদের গাঁয়ে হাত তোলে।
অন্যদিকে, ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লেখক ভট্টাচার্যের অনুসারী এক শিক্ষার্থী বলেন, রিয়ান বুধবার রাত দশটার দিকে রুমে আসলে পূর্বের ঘটনার জেরে রিয়ান কে গালি দেয়া আফিক। গালির পরিপ্রেক্ষিতে দুজনের মধ্যে ফের তর্কবিতর্ক শুরু হয়। তখন রিয়ান ডাম্বল নিয়ে আফিককে মারতে গেলে রুমের অন্যান্য সদস্যরা তার হাত থেকে ডাম্বল কেরে নেয়। ডাম্বল কেরে নিলে রিয়ানের পক্ষ নিয়ে তার গ্রুপের তানভীর, নাঈম ও আফিকের পক্ষ নিয়ে জুবায়ের আলী একে অপরকে মারতে আসে। তখন তাদের মধ্যে আবার হাতাহাতি শুরু হয়। তখন রুমের অন্যান্য সদস্যরা তাদের মারামারি থামায়ে দেয়।
এ বিষয়ে হল সংসদের এজিএস সাইফুল ইসলাম বলেন, শুরুতে আমি হলের বাইরে ছিলাম। বিষয়টা জানার সাথে সাথে হলে আসি এবং হল প্রশাসনকে সাথে নিয়ে সমাধান করার চেষ্টা করি। তবে হল প্রশাসন এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন ধরণের সিদ্ধান্ত দেননি।
ঘটনার বিষয়ে জানতে হলের প্রোভোস্ট অধ্যাপক ড. রহমতুল্লাহ্ এর সাথে বারবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন ধরেননি।
আরও পড়ুন আপনার মতামত লিখুন
??????? ?????? ??? ??? ???
???????????? ?????????????? ??????? ?? ???? ???? ???!
???? ????? ???? ???? ??????? ???? ??? ??????????
???? ??? ???? ?????? ????? ??? ??? ?????? ??????? ???????
??????? ?????????
?????????? ?? ?????
??????? ?????????????? ?????? ???????????? ?????????? ??????? ?????????????
?????? ???????? ???? ??????
???????? ??? ?????, ????????? ????????? ???? ??? ?????
?????? ????? ?????? ???? ???? ?????
??????? ?????? ??? ??? ???
???????????? ?????????????? ??????? ?? ???? ???? ???!
???? ????? ???? ???? ??????? ???? ??? ??????????
???? ??? ???? ?????? ????? ??? ??? ?????? ??????? ???????
??????? ?????????
?????????? ?? ?????
??????? ?????????????? ?????? ???????????? ?????????? ??????? ?????????????
?????? ???????? ???? ??????
???????? ??? ?????, ????????? ????????? ???? ??? ?????
?????? ????? ?????? ???? ???? ?????