শিরোনাম
৩০ জুন ২০১৮
নুরুল হক নুরের ওপর প্রথম হামলা চালানো হয় ৩০ জুন ২০১৮ তারিখে। কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে নুরসহ বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের অন্তত ২০-২৫ জনকে পিটিয়ে আহত করা হয়। সরকারের তরফ থেকে কোটা বাতিলের মৌখিক ঘোষণার পর প্রায় তিন মাস পার হলেও প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি তখনো।
দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে নতুন করে আন্দোলনের প্রস্তুতির জন্য ৩০ জুন বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সাংবাদিক সম্মেলন ডাকে ছাত্র অধিকার পরিষদ। তবে সাংবাদ সম্মেলন শুরুর আগেই তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। নুরুলহককে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরে উপর্যুপরি লাথি-ঘুষিসহ বেধড়ক মারধর করা হয়। বাঁচার জন্য নুর কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির পরিচালক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক ড. জাভেদ আহমেদের পা জড়িয়ে ধরেন।
১১ মার্চ, ২০১৯
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের দিন রোকেয়া হলে ব্যালট জালিয়াতির প্রতিবাদ করতে গেলে সেখানে ছাত্রলীগের হামলার শিকার হন সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী নুরুল হক।
১২ মার্চ ২০১৯
ডাকসু নির্বাচনে ভিপি নির্বাচিত হওয়ার পর টিএসসিতে ধাওয়া দিয়ে নুরুল হক নুর ও তার সঙ্গীদের ওপর হামলা করে ছাত্রলীগ। এ সময় ৭ জন আহত হয়।
২৬ মে ২০১৯
বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের এক ইফতার মাহফিলে যোগ দিতে বগুড়ায় গেলে প্রথমে পুলিশ বাঁধা দেয়। পরে ছাত্রলীগের কর্মীরা ভিপি নুর ও তার সহযোগীদের ওপর হামলা করে। এ সময় স্থানীয় দুই সাংবাদিকসহ মোট ৬ জন আহত হন। এর আগের দিনও অর্থাৎ ২৫ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ইফতার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে ছাত্রলীগের বাধা মুখে পড়েন নুর।
১৪ আগস্ট ২০১৯
ঈদ উপলক্ষে নিজ এলাকা পটুয়াখালীতে গেলে সেখানকার গলাচিপা উপজেলার উলানিয়া বাজারে নুরুকে পিটিয়ে আহত করা হয়। গলাচিপা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন শাহের নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে নুরের সঙ্গে থাকা অন্তত ২৫ জনকে আহত করা হয়। এ সময় নুরের বহরে থাকা ১০টি মোটরসাইকেল ভাংচুর করা হয়।
১৭ ডিসেম্বর ২০১৯
ভারতের জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএবি) বিরুদ্ধে আন্দোলনরত ভারতীয় শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানাতে ১৭ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পদদেশে ভিপি নুরুল হক শিক্ষার্থীদের নিয়ে জমায়েত হলে সেখানে বাঁধা দেয় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। এ সময় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতা-কর্মীদের হামলায় তার হাতের দুটি আঙ্গুল ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তবে এই দিন ভিপি নুরুল হকও আক্রমণকারীদের পাল্টা মার দিয়েছেন।
২২ ডিসেম্বর ২০১৯
১৭ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে ডাকসু ভবনে নিজ কার্যালয়ের মধ্যে বাতি নিভিয়ে বেধড়ক পেটানো হয় ভিপি নুরুল হকসহ তার সঙ্গীদেরকে। বিগত সকল হামলার মধ্যে এ দিনের হামলা ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়। হামলায় ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ যৌথভাবে অংশ নেয়। হামলার সময় কয়েকজনকে ডাকসুর ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয়। হামলার পর ভিপি কক্ষে ঢুকে দেখা যায় ভিপিসহ আরো কয়েকজন রুমের মধ্যে মুমূর্ষ অবস্থায় পড়ে আছেন। এ সময় বাংলাদেশ জার্নালের ঢাবি প্রতিনিধির তোলা একটি ছবিতে দেখা যায় নুরুর মুখ দিয়ে ফেনা বেড়িয়ে গেছে।
??????? ?????? ??? ??? ???
???????????? ?????????????? ??????? ?? ???? ???? ???!
???? ????? ???? ???? ??????? ???? ??? ??????????
???? ??? ???? ?????? ????? ??? ??? ?????? ??????? ???????
??????? ?????????
?????????? ?? ?????
??????? ?????????????? ?????? ???????????? ?????????? ??????? ?????????????
?????? ???????? ???? ??????
???????? ??? ?????, ????????? ????????? ???? ??? ?????
?????? ????? ?????? ???? ???? ?????
??????? ?????? ??? ??? ???
???????????? ?????????????? ??????? ?? ???? ???? ???!
???? ????? ???? ???? ??????? ???? ??? ??????????
???? ??? ???? ?????? ????? ??? ??? ?????? ??????? ???????
??????? ?????????
?????????? ?? ?????
??????? ?????????????? ?????? ???????????? ?????????? ??????? ?????????????
?????? ???????? ???? ??????
???????? ??? ?????, ????????? ????????? ???? ??? ?????
?????? ????? ?????? ???? ???? ?????