Bangla Runner

ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬ | বাংলা

শিরোনাম

?????????? ?? ????? ??????? ?????????????? ?????? ???????????? ?????????? ??????? ????????????? ???????? ??? ?????, ????????? ????????? ???? ??? ????? ?????? ????? ?????? ???? ???? ????? ???? ??????: ????????? ??? ??? ????? ????? ???! ?????? ???????? ?????????? ???????, ????? ?? ????? ??? ??? ????? ??????? ???????? ???? ??????? ?-???? ??????? ??????? ???? ? ???? Important Quotations from Different Disciplines
Home / ?????????

করোনা ভাইরাস:

ঘরে থেকেও করোনা রোগী সুস্থ হয়

অধ্যাপক ডা: এবিএম আব্দুল্লাহ
মঙ্গলবার, ২০ জুলাই, ২০২১ Print


বাংলাদেশ নয় করোনা এখন সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে গেছে। উন্নতদেশগুলোয় হিমশিম খাচ্ছে- এটি অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। আমরা চেষ্টা করছি। আমি ব্যক্তিগতভাবে মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে যা যা বলার তা বলছি। প্রশাসন সতর্ক আছে, তারা চেষ্টা করছে। স্টেপ বাই স্টেপ পদক্ষেপ নিচ্ছেন। সরকার তার মত ব্যবস্থা নিচ্ছে। এখন জরুরি অবস্থা নিয়েও কথা হচ্ছে। মানুষ আতঙ্কিত হয়ে যাচ্ছে। কিছু খবরও গুজব ছড়াচ্ছে। এতে মানুষ ভয় পাচ্ছে, আমিও তো ভয় পাচ্ছি, আপনারাও (সাংবাদিক) তো ভয় পাচ্ছেন। সবার তো একই অবস্থা। তাই এমন কোন খবর না দেয়ার অনুরোধ। আমাদের সবচেয়ে বড় ভয়- বাইরে থেকে প্রচুর লোক আসছে। কোয়ারেন্টাইন তারা মানে নাই। তারা যদি ছড়িয়ে ফেলে আমরা তা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বুঝতে পারব।

আতঙ্কগ্রস্ত হওয়ার দরকার নাই তবে আমাদেরকে অবশ্যই সতর্কতামূলক ব্যবস্থাগুলো নিতে হবে। সতর্কতার কোন বিকল্প নাই। কারণ এটার কোন ভ্যাকসিন নাই কার্যকরী কোন ওষুধও নাই। লক্ষণ দেখে কিছু চিকিৎসা দেয়া হয়। তবে ভালো খবর হলো, অধিকাংশ কিন্তু ভালো হয়ে যায়, শতকরা ৮০ ভাগ রোগী ভাল হয়। ঘরে বসে চিকিৎসা সম্ভব, এমনকি ডাক্তারের কাছে না গেলেও ঘরে বসে ভাল হয়। মাত্র ২০ শতাংশের হাসপাতালে ভর্তি লাগতে পারে। এর মধ্যে ২-৩ শতাংশ আইসিইউ লাগে।

যেহেতু রোগটা ছোঁয়াচে তাই আশেপাশে যদি কোন রোগী থাকে তার সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে। যিনি রোগী তার নিজের মাস্ক পড়তে হবে। যেখানে সেখানে থু থু ফেলবে না, হাঁচি-কাশিতে টিস্যু ব্যবহার করার পর যেখানে সেখানে ফেলবে না। রুমাল ব্যবহার করলে সাথে সাথে ধুয়ে নিবে। ভাইরাসটি হাতের মাধ্যমে ছড়ায় বেশি। হাতে হাঁচি-কাশি দিলে তা ধুয়ে নিতে হবে। এটা এতটাই ছোঁয়াচে যে হাতে ভাইরাস থাকলে এই হাত যেখানে স্পর্শ করবে সেখানেই ভাইরাস ছড়াবে। বাইরে থেকে আসবেন দরজার হাতল ধরবেন সেখানে ভাইরাস লেগে যাবে। চেয়ারে বসবেন, টেলিফোন, কিবোর্ড যেখানে টাচ করবেন সেখানেই ভাইরাস লেগে যাবে। এ জন্য হাত নিয়মিত কয়েকবার সাবান পানি দিয়ে পরিষ্কার করবেন। নিজের ঘর ও আসবাবপত্র পরিষ্কার রাখতে হবে।

ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য: এই ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য হলো এটি ভারী। এটি বাতাসে ছড়ায় না। আক্রান্ত ব্যক্তি কাশি দিলে তা নিচে পড়ে যায়। সুতরাং ঘর, ফ্লোর, কার্পেট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। আরেকটা হল অল্প অল্প পানি বারবার খাবে গলাটা যাতে ভিজা থাকে। শুষ্ক গলা থাকলে ভাইরাস আক্রান্ত বেশি হয়। হাত না ধুয়ে খাওয়া দাওয়া করা যাবে না। ফলমূল, সালাত পরিষ্কার করে ধুয়ে তারপরে খাবেন। খাবার ভালো করে সিদ্ধ করে খাবেন। কারো ঘরে যদি গৃহপালিত পশু-পাখি থাকে এবং সে গুলোকে রোগা মনে হয় তাহলে তা আলাদা করে দেবেন। যদি পরিচর্যা করতেই হয় তাহলে মাস্ক পড়ে নেবেন, গাউন পড়ে নেবেন এবং হাতটা সুন্দর করে ধুয়ে নিবেন। কারণ এগুলোর মাধ্যমে ছড়ানোর ঝুঁকিটা বেশি। আর হ্যান্ডশেক, কোলাকুলি করা কমিয়ে দেয়া। বাজারে যেখানে জনসমাগম বেশি তা এড়িয়ে চলাই ভালো।

হওয়ার পরে কী করতে হবে: হওয়ার পরে রোগীকে আলাদা করতে হবে, হাসপাতালে রাখার চেষ্টা করতে হবে। 

আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইন কী: একজন আক্রান্ত ব্যক্তি, যার লক্ষণ আছে তাকে আলাদা করে রাখাকে বলে আইসোলেশন। আর সুস্থ মানুষ, সুপ্ত অবস্থায় ভাইরাস থাকতে পারে। তার কোন লক্ষণ নাই। এমন ব্যক্তিকে আলাদা করে রাখাকে বলে কোয়ারেন্টাইন।

ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে: ডেঙ্গুর ব্যাপারে আমরা ভুলে যাই নাই। ডেঙ্গু তো আমরা বুঝি কেন হয়, করোনা তো বুঝতেও পারছি না। মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে যাচ্ছে। ডেঙ্গু যেহেতু মশা বাহিত তাই এখন থেকেই পুরো দমে মশক নিধন শুরু করতে হবে। 

সবাইকে মনে রাখতে হবে প্রথমত, সর্দি জ্বর বাংলাদেশে একটি স্বাভাবিক বিষয়। শীতকাল, গরমকাল যে কোন সময়ই হতে পারে। সুতরাং সর্দি জ্বর হলেই সবাই ভয় পাবেন না যে, এটা করোনা ভাইরাস। দ্বিতীয়ত, যারা বাইরে থেকে আসছে তাদের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন,যোগাযোগের এলাকা বা তিনি যেখানে যেখানে গেছেন সেখানকার কারো যদি সর্দি কাশি হয় তাদেরকে আমরা অবশ্যই সতর্ক হতে বলব। তাদের ঝুঁকি রয়ে গেছে। ভীড় এরিয়ে চলা বিশেষ করে বয়স্কদের বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। যারা অন্যান্য রোগে ভোগের তারাও পারতপক্ষে বাইরে যাবেন না। আর বচ্চাদের তো স্কুল বন্ধই করা হয়েছে। কিন্তু তারা ঘুরতেছে বিভিন্ন জায়গায়। এটা যাতে একদমই না করে, তারা (শিশু) ঘরেই থাকবে।

অধ্যাপক ডা: এবিএম আব্দুল্লাহ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) মেডিসিন অনুষদের সাবেক ডিন।

আরও পড়ুন আপনার মতামত লিখুন

© Copyright -Bangla Runner 2024 | All Right Reserved |

Design & Developed By Web Master Shawon