৩১৩ জন এমপির মধ্যে ১১৪ জনের ভোটে
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে প্রথম পর্বে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন রক্ষণশীল দলের প্রার্থী ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন। বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে পদত্যাগ করার পর এ পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস জনসন তার নির্বাচনী প্রচারণায় বলছেন, প্রধানমন্ত্রী হতে পারলে চলতি বছরের অক্টোবরের মধ্যেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনকে বের করে নিয়ে আসবেন।
ব্রেক্সিট ইস্যুতে থেরেসা মে পদত্যাগ করার পর তিনি তার চরম সমালোচনা করে আসছিলেন। জনসনের মতে, “মে’র ব্রেক্সিট কৌশল ভুল ছিল।” আর এ কারণে থেরেসা মে’র মন্ত্রিসভা থেকেও পদত্যাগ করেছিলেন বরিস জনসন। ১৩ জুন, বৃহস্পতিবার প্রথম পর্বের নির্বাচনের ফলাফর জানা যায়। এতে রক্ষণশীল দলের ৩১৩ জন এমপির মধ্যে জনসন ১১৪ জনের সমর্থন লাভ করতে সক্ষম হন। মাত্র ৪৩ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট।
এছাড়া, পরিবেশমন্ত্রী মাইকেল গোভ ও সাবেক ব্রেক্সিট মন্ত্রী ডোমিনিক রাব পেয়েছেন যথাক্রমে ৩৭ ভোট ও ২৭ ভোট। আর প্রয়োজনীয় সংখ্যক ১৭টি ভোট না পাওয়ায় নির্বাচনে ১০ প্রার্থীর মধ্যে তিনজন পরবর্তী পর্বের নির্বাচনে লড়ার সুযোগ পাবেন না। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৮ থেকে ২০ জুনের মধ্যে।
সেখান থেকে নির্বাচিত দুজন প্রার্থী চূড়ান্ত লড়াইয়ে অংশ নেবেন। ওই দুই জনকে ভোট দেবেন রক্ষণশীল দলের দেড় লাখ সদস্য। শেষ পর্বের ভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামী জুলাই মাসের শেষ নাগাদ। ধারণা করা হচ্ছে,বিপুল জনপ্রিয়তা নিয়ে জনসন সহজেই শেষ ধাপেও জয় পাবেন।