এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রসারিত করবে: ঢাবি ভিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
শুক্রবার, ২৮ জুন ২০১৯


‘কোরিয়ান-বাংলা কালচারাল এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম’ উদ্বোধন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেছেন, ‘আমি আনন্দি যে, কোরিয়া এবং বাংলাদেশ থেকে ভাল সংখ্যক আর্টিস্ট এই অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছে। এই ধরণের চমৎকার আয়োজন দু’দেশের শিক্ষার্থীদের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রসারিত করবে।”

২৫ জুন, মঙ্গলবার টিএসসি চত্বরে দ্বি-দেশীয় এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে উপাচার্য বলেন, “এই ধরনের উৎসব অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে বিকশিত করে। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে উভয় দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা লাভ করবে এবং সংস্কৃতি চর্চা জোরদার হবে।”

উদ্বোধনের পর দু’দেশের শিল্পীরা মঞ্চে গান, নৃত্য ও মূকাভিনয় পরিবেশন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদ, মাইম অ্যাকশন, ব্যান্ড সোসাইটি মঞ্চে পারফর্ম করেছে। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে হ্যাংসু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকরা মঞ্চে দর্শক মাতিয়েছেন। 

অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, ‘‘কোরিয়ার সাথে আমাদের সাংস্কৃতিক মিল নেই। তবুও এ ধরণের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন তৈরি করতে পারি। পৃথিবীর সব দেশেই বন্ধু রাখা উচিত।” এ ধরণের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। অনুষ্ঠানে আসার জন্য কোরিয়া থেকে আগত অতিথি শিল্পীদের এবং আয়োজনের জন্য ডাকসুর সাংস্কৃতিক সম্পাদক আসিফ তালুকদারকে ধন্যবাদ জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের এই ছাত্র প্রতিনিধি ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর সহযোগিতায় বিএসি ইন্টারন্যাশনাল এন্ড ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল ল্যাংগুয়েজ স্কুল এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র সাবেক পরিচালক ড. সাইফুল মাজিদ, বিএকে ইন্টারন্যাশনাল এর চেয়ারম্যান আলী ইমাম মাহদি, ঢাবি সিনেট সদস্য (ছাত্রপ্রতিনিধি) তিলোত্তমা শিকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।