কর্ণেল তাহেরের ৪৩তম শাহাদাতবার্ষিকী

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে জিয়ার নাম তুলে দেওয়ার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
রবিবার, ২১ জুলাই, ২০১৯


সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমনের নামে সারাদেশে যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে সে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তার নাম মুছে ফেলার দাবি জানিয়েছে জাসদ ছাত্রলীগ। শহীদ কর্ণেল আবু তাহের বীর উত্তর এর ৪৩ তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (জাসদ)’র উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়েছে।

আজ ২১ জুলাই, রোববার বেলা ১১ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে অনুষ্ঠিত ওই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি আহসান হাবীব শামীম এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক রাশিদুল হক ননী। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মাসুদ আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রনাথ  পাল, কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি আরিফুল হক পাপ্পু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবুল কামাল আজাদ মিন্টু, সহ-সম্পাদক হাসানাতুজ্জামান বাবু ও সংগঠনিক সম্পাদক গোপাল রাজবংশী।

এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দপ্তর সম্পাক ইমান আহমেদ ইমন, প্রচার ও প্রকাশনা  সম্পাদক এনামুল ইসলাম রোমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, স্কুল বিষয়ক সম্পাদক বরুন রায়, ক্রীড়া সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, সদস্য তানিয়া ইসলাম তন্বী, সহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন কলেজ ও মহানগর শাখার নেতা-কর্মীগণ।

সমাবেশের আগে একটি মিছিল নিয়ে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক পদক্ষিণ করেন। পরে সমাবেশে বক্তারা একটি কমিশন গঠন করে তদন্তের মাধ্যমে শহীদ কর্ণেল আবু তাহের বীর উত্তমের বিচারের নামে প্রহসনের নাথিপত্র জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানান।

সমাবেশ শেষে সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধে ১১ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার শহীদ কর্ণেল আবু তাহের বীর উত্তম-কে ১৯৭৬ সালের ২১ জুলাই তৎকালীন সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান প্রহসণমূলক বিচারে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করে। কর্ণেল তাহেরকে হত্যা করে তৎকালীন সামরিক সরকার সাম্প্রদায়িক রাজনীতি, পাকিস্তান পন্থার রাজনীতি শুরু করে।

জিয়াউর রহমানকে ঠাণ্ডা মাথার খুনী মন্তব্য করে বিজ্ঞপ্তিতে তারা বলেন, ‘তৎকালীন সরকার যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমতায় বসিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভুলুণ্ঠিত করে ৭২ এর সংবিধানকে কলঙ্কিত করে। অবিলম্বে ঠাণ্ডা মাথার খুনী জিয়াউর রহমানের মরনোত্তর ফাঁসির দাবি জানাই। সেই সাথে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খুনী জিয়ার নাম পরিবর্তন করে দেশপ্রেমিক কর্ণেল তাহেরের নাম প্রতিস্থাপন করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’ একই সাথে তারা পাঠ্যপুস্তাকে কর্ণেল তাহেরের জীবনী লিপিবদ্ধ করারও দাবি জানান।