‘প্রতিবাক’ প্রকাশনা উৎসব:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ বলেছেন, “বিতর্ক মানুষকে মহৎ করে, বিতর্ক মানুষকে সহমর্মিতা শেখায়। যারা বিতার্কিক তারা হয় সৃষ্টিশীল। তারা কখনো অন্যায় করতে পারে না।” ১৮ নভেম্বর, সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি (ডিইউডিএস)’র বার্ষিক মুখপত্র ‘প্রতিবাক’-এর প্রকাশনা উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ও ৯০ দশকের বিতার্কিক সুভাষ সিংহ রায় এবং ফজলে হুদা আকন্দ বাবুলকে ডিইউডিএস-এর আজীবন সদস্য সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে একই সঙ্গে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির (২০১৮-১৯) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয় ও প্রতিবাকের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
২০১৮-১৯ সেশনের দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয় নবনির্বাচিত সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে যৌথভাবে মো: জাহিদ হাসান ও ইয়াসিন আরফাতের কাছে। এ সময় তাদেরকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন অতিথিবৃন্দরা। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে জাহিদ হাসান ও ইয়াসিন আরাফাত সমান সংখ্যক ভোট পাওয়ায় তাদের দুজনকেই ছয় মাস করে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
সংগঠনের সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ-আল মুতি আসাদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান। তিনি বিতার্কিদের কাছ থেকে তথ্যভিত্তিক বিতর্ক প্রত্যাশা করে বলেন, “তথ্যভিত্তিক বিতর্ক মানুষকে সত্য ও সুন্দরের পথ দেখায়।”
সংগঠনটির বিদায়ী সভাপতি এস. এম. রাকিব সিরাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন ডিইউডিএস-এর প্রধান মডারেটর অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন এবং আওয়ামী লীগের সাংষ্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল।