Bangla Runner

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০২৪ | বাংলা

শিরোনাম

রম্য বিতর্ক: ‘কুরবানীতে ভাই আমি ছাড়া উপায় নাই!’ সনাতনী বিতর্কের নিয়মকানুন গ্রীষ্ম, বর্ষা না বসন্ত কোন ঋতু সেরা?  বিভিন্ন পত্রিকায় লেখা পাঠানোর ই-মেইল বিশ্বের সবচেয়ে দামি ৫ মসলা Important Quotations from Different Disciplines স্যার এ এফ রহমান: এক মহান শিক্ষকের গল্প ছয় সন্তানকে উচ্চ শিক্ষত করে সফল জননী নাজমা খানম ‘সুলতানার স্বপ্ন’ সাহিত্যকর্মটি কি নারীবাদী রচনা? কম্পিউটারের কিছু শর্টকাট
Home / বই আলোচনা

তথ্যপঞ্জী কী

তথ্যপঞ্জী লেখার নিয়ম

রানার ডেস্ক
শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৩ Print


শুরুতেই জানা দরকার গ্রন্থপঞ্জী বা তথ্যপঞ্জী কী? তথ্যপঞ্জী হল প্রকাশিত কাজের তালিকা। কিন্তু থিসিস বা প্রবন্ধে প্রকাশিত ও অপ্রকাশিত উভয় প্রকার কাজকেই তথ্যপঞ্জীতে সন্নিবেশিত করা হয়। তথ্যপঞ্জী বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যেমন-

১। থিসিসের মূলগ্রন্থাংশে বা পাদটীকায় যেসব উৎসের উল্লেখ রয়েছে তাদের তালিকা।

২। থিসিসের সাথে সম্পর্কযুক্ত যেসব পুস্তক, পুস্তিকা, সাময়িকী, প্রতিবেদন, প্রবন্ধ ইত্যাদি পাঠ ও পর্যালোচনা করা হয়েছে, তারা পুরোপুরি প্রাসঙ্গিক না হলেও, তাদের তালিকা।

৩। যেসব তথ্যের উৎস থিসিসে উল্লেখ করা হয়েছে এবং কিছু নির্বাচিত উৎসের তালিকা। একে নির্বাচিত তথ্যপঞ্জী বলা হয়।

৪। আরেক ধরনের তথ্যপঞ্জী আছে, এদের বলা হয় টীকাযুক্ত তথ্যপঞ্জী (annotated bibliography)। তথ্যের উৎসের বিষয় ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কিত টীকাসহ তাদের তালিকা থাকে।

তথ্যপঞ্জী লেখার নিয়ম:
তথ্যপঞ্জী লেখার সময় আমরা নিচের বিষয়গুলোর উল্লেখ করব-

(ক) গ্রন্থকারের নাম, প্রথমে শেষ নাম বা পারিবারিক নাম লিখতে হবে, তারপর কমা দিয়ে প্রথম নাম বা প্রদত্ত নাম লিখতে হবে, তারপর থাকবে ফুলস্টপ বা দাঁড়ি। বাঙ্গালী গ্রন্থকারের বেলায় সম্পূর্ণ নাম যেভাবে আছে সেভাবে লিখে দাঁড়ি দিতে হবে।

(খ) এরপর কাজের নাম (গ্রন্থ, প্রতিবেদন, প্রবন্ধ ইত্যাদির নাম) লিখে তার নিচে দাগ দিতে হবে। এরপর ফুলস্টপ বা দাঁড়ি হবে।

(গ) এরপর প্রকাশের স্থান লিখতে হবে এবং তারপর কোলন দিতে হবে।

(ঘ) এরপর প্রকাশনা সংস্থার নাম থাকবে এবং তারপর কমা দিতে হবে।

(ঙ) এরপর প্রকাশের সন লিখতে হবে এবং তারপর দাঁড়ি দিতে হবে।

(চ) প্রয়োজন হলে মোট পৃষ্ঠার সংখ্যা লিখতে হবে এবং তারপর দাঁড়ি দিতে হবে।

এই নিয়মটি বেশ পুরোনো নিয়ম। নিম্নোক্তভাবে বর্তমানে তথ্যপঞ্জী লেখা হয়-

(ক) গ্রন্থকারের নাম, প্রথমে শেষ নাম বা পারিবারিক নাম তারপর কমা দিয়ে প্রথম বা প্রদত্ত নাম তারপর কমা। বাঙালী গ্রন্থকারের বেলায় পুরো নাম লিখে কমা।

(খ) কাজের শিরোনাম লিখে তার নিচে দাগ দেয়া, তারপর কমা।

(গ) প্রকাশের স্থান এর পর কোলন।

(ঘ) প্রকাশনা সংস্থার নাম, এর পর কমা।

(ঙ) প্রকাশের সন-এর পর দাঁড়ি বা কমা, প্রয়োজনে মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা, তারপর দাড়ি।

বর্তমানে দ্বিতীয় রীতিটির অনুসরণ বেশি হয়।

আরও পড়ুন আপনার মতামত লিখুন

© Copyright -Bangla Runner 2024 | All Right Reserved |

Design & Developed By Web Master Shawon