Bangla Runner

ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬ | বাংলা

শিরোনাম

?????????? ?? ????? ??????? ?????????????? ?????? ???????????? ?????????? ??????? ????????????? ???????? ??? ?????, ????????? ????????? ???? ??? ????? ?????? ????? ?????? ???? ???? ????? ???? ??????: ????????? ??? ??? ????? ????? ???! ?????? ???????? ?????????? ???????, ????? ?? ????? ??? ??? ????? ??????? ???????? ???? ??????? ?-???? ??????? ??????? ???? ? ???? Important Quotations from Different Disciplines
Home / ???????

৬ মাসে ইশতেহারের এক তৃতীয়াংশও বাস্তবায়ন করতে পারেনি ডাকসু

এম.এস.আই খান
মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ Print


প্রায় তিন দশক যখন ডাকসু ছিল না তখন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মাঝে ডাকসু হয়ে দাঁড়িয়েছিল দূর আকাশের ধ্রুব তারার মত। গত ১১ মার্চ বন্ধ্যাদশা কাটিয়ে ডাকসু নির্বাচন হওয়ায় শিক্ষার্থীরা তাদের কথা তুলে ধরার জন্য অন্তত একটা জায়গা পেয়েছে। দীর্ঘ দিনের অযত্ন-অবহেলা পেরিয়ে ডাকসু ভবন পেয়েছে নতুন রঙ, রুমে রুমে নতুন নেমপ্লেট, ভিতরে শীতল হাওয়া প্রসব করা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র। 'বছর ত্রিশেক পরে' নতুন করে কেন্দ্রীয় সাহিত্য চর্চার অঙ্কুরোদগমও হয়েছে।

২৮ বছর ধরে বন্ধ থাকা ডাকসু শিক্ষার্থীদের কাছে ছিল সোনার হরিণের মত। ফলে সেই ডাকসু যখন আসলো তখন প্রত্যাশা ও প্রতিশ্রুতির কমতি ছিল না। নির্বাচনে প্রার্থীরা যে পরিমাণ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তার অনেকাংশই পূরণে তারা ব্যর্থ হয়েছেন। আবার প্রতিশ্রুতিতে ছিল না এমন কিছু ইতিবাচক কাজও তারা করেছেন। ভূত তাড়াতে শর্ষে আনা হল কিন্তু দেখা গেল শর্ষের মধ্যেই ভূত। তেমনি হল ও ক্যান্টিনের খাবার মান উন্নয়নে শর্ষের মধ্যে ভূত অবস্থা বিরাজ করছে। যারা খাবার মান উন্নয়নে কাজ করবেন সেই ছাত্র সংসদের নেতাদের বিরুদ্ধেই ক্যান্টিন থেকে চাঁদাবাজি করার অভিযোগ উঠেছে।

এক বছর মেয়াদী ডাকসু তার অর্ধেক মেয়াদ পেরোলেও বিভিন্ন প্যানেলের ও প্রার্থীদের ব্যক্তিগত ইশতেহারে যে পরিমাণ প্রতিশ্রুতি ছিল তার এক তৃতীয়াংশও পূরণ করতে পারেনি। এর পিছনে বেশ কিছু কারণ উল্লেখ করা যায়- প্রথমত ২৮ বছরে সমস্যার পাহাড় জমেছিল। সব সমস্যা এক মেয়াদে পূরণ করার ইশতেহার ছিল প্রার্থীদের। যাকে বলা যায় উচ্চভিলাষী ইশতেহার। প্রকৃতপক্ষে দীর্ঘ দিনের সমস্যা অল্প সময়ে নিরসন করা কঠিন।

দ্বিতীয়ত, নির্বাচিত হওয়ার পর ডাকসু নেতাদের অনেকেই নিস্ক্রীয় হয়ে গেছেন। দীর্ঘ দিন ডাকসু নির্বাচন না হওয়ায় পূববর্তী ডাকসু নেতাদের কর্ম তৎপরতার কোন অভিজ্ঞতা বা ধারণা বর্তমান নেতাদের মধ্যে সঞ্চারিত না হওয়া। তৃতীয়ত, সদিচ্ছা ও অর্থায়নের অভাবেও বাস্তবায়নযোগ্য অনেক ইশতেহার পূরণ হচ্ছে না। গণরুম-গেস্টরুম নির্যাতন বন্ধের যে ইশতেহার ছিল তা রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবেই এখনো বলবৎ রয়েছে।

ক্যাম্পাসে রিকশা ভাড়া নিয়ন্ত্রণ ছাত্র সংগঠনগুলোর মোটা দাগের ইশতাহারের অংশ ছিল। রিকশা ভাড়া নির্ধারণ করা হবে এমন স্বপ্ন দেখিয়ে এখন ঘুমাচ্ছেন ডাকসু নেতারা। গত ৬ মাসে এ নিয়ে দু একটি মিটিং করলেও ডাকসু নেতারা দৃশ্যমান কোন সাফল্য দেখাতে পারেননি। তবে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডসহ, বিভিন্ন বিভাগ-ইনস্টিটিউটে অতিরিক্ত ফি কমানোর মত কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা ডাকসু বাতাসের সাফল্যের সুবাস পেয়েছে। 

ডাকসু নির্বাচনের প্রথম ৬ মাসে সবচেয়ে বড় অর্জন হল ছাত্রনেতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জনের চেষ্টা। পেশি শক্তির চেয়ে এখন ছাত্রদের কথা শোনার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রতিপক্ষের প্রতি হামলার ঘটনাও তেমন দেখা যায়নি। কারণ নিপীড়ন হলে নিপীড়িত ব্যক্তি ও তার দলের জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়। তাই ডাকসু ছাত্র রীজিনীতির ধারাকে কৌশলী করেছে।

লেখক: সাংবাদিক
msikhan717@gmail.com

আরও পড়ুন আপনার মতামত লিখুন

© Copyright -Bangla Runner 2024 | All Right Reserved |

Design & Developed By Web Master Shawon