Bangla Runner

ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬ | বাংলা

শিরোনাম

?????????? ?? ????? ??????? ?????????????? ?????? ???????????? ?????????? ??????? ????????????? ???????? ??? ?????, ????????? ????????? ???? ??? ????? ?????? ????? ?????? ???? ???? ????? ???? ??????: ????????? ??? ??? ????? ????? ???! ?????? ???????? ?????????? ???????, ????? ?? ????? ??? ??? ????? ??????? ???????? ???? ??????? ?-???? ??????? ??????? ???? ? ???? Important Quotations from Different Disciplines
Home / ???????

আলো দেখার পূর্বেই মেয়েদের ভ্রুণ অবস্থায় হত্যা করা হয়

তিলোত্তমা শিকদার
শুক্রবার, ২৩ জুলাই, ২০২১ Print


বৈষম্যের শুরুটা জন্মলগ্ন থেকেই।সন্তান গর্ভে আসার পর থেকেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষার শুরু হয়, তবে তার জন্মের জন্য নয়, কবে বোঝা যাবে সন্তান ছেলে না মেয়ে।ছেলে সন্তানের জন্মের খবরটি মিষ্টি বিতরন দিয়ে শুরু হলেও কন্যা সন্তানের জন্মটি থাকে পরবর্তী ছেলে সন্তানের আশা। কখনো কখনো কন্যা সন্তানটি আলো দেখার পূর্বেই তাকে হত্যা করা হয় ভ্রুণ অবস্থায়। আর কতো ভ্রুণ নষ্ট হলে এ সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হবে?

ছোটবেলা থেকেই একটি শিশুকে মিনা রাজু কার্টুনে এ সমাজের বৈর্ষম্যের চিত্রটি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়া হয়। একটি কন্যা সন্তানের কাছে জীবনের প্রতিটি ধাপ একটি রণক্ষেত্র। প্রতেকটি ধাপে জীবনযুদ্ধে জয়ী হয়ে তাকে পার হতে হয়। যদি প্রশ্ন করা হয় নারীদের জন্য নিরাপদ স্থান কোনটি? এ উত্তরে আমি বলব কোনটিই নয়। পারিপ্বার্শিক সমাজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র, যাতায়ত রাস্তা বা পরিবহন কোন ক্ষেত্রেই এই নিশ্চয়তা দিতে পারবে না, যে আপনার মা,বোন বা প্রেমিকে যেভাবে সকালে বাসা থেকে বের হয়েছে সেভাবে সুস্থ বা স্বাভাবিক ভাবে সে দিনশেষে বাড়ি ফিরে যাবে। সমাজ থেকে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে জোর প্রতিরোধ গড়ে না উঠলে শুধু আইনি তৎপরতা দিয়ে এটি বন্ধ করা যাবে না। এর বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

বৈষম্যের শুরুটা জন্মলগ্ন থেকেই। সন্তান গর্ভে আসার পর থেকেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষার শুরু হয়, তবে তার জন্মের জন্য নয়, কবে বোঝা যাবে সন্তান ছেলে না মেয়ে।ছেলে সন্তানের জন্মের খবরটি মিষ্টি বিতরণ দিয়ে শুরু হলেও কন্যা সন্তানের জন্মটি থাকে পরবর্তী ছেলে সন্তানের আশা। কখনো কখনো কন্যা সন্তানটি আলো দেখার পূর্বেই তাকে হত্যা করা হয় ভ্রুণ অবস্থায়। আর কতো ভ্রুণ নষ্ট হলে এ সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হবে? ছোটবেলা থেকেই একটি শিশুকে মিনা রাজু কার্টুনে এ সমাজের বৈর্ষম্যের চিত্রটি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়া হয়। একটি কন্যা সন্তানের কাছে জীবনের প্রতিটি ধাপ একটি রণক্ষেত্র। প্রতেকটি ধাপে জীবনযুদ্ধে জয়ী হয়ে তাকে পার হতে হয়। আজও চন্দনা’রা সিদামদের জীবনযুদ্ধে পাশে পায় না। যদি প্রশ্ন করা হয় নারীদের জন্য নিরাপদ স্থান কোনটি? এ উত্তরে আমি বলব কোনটিই নয়।

এ সমাজ এখনো স্বীকৃতি দেয়না মেয়েদের একটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া ঋতুস্রাব নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার। স্যানিটারী ন্যাপকিন ব্যবহারেও রয়েছে প্রতিবন্ধকতা। হয়ত পরিবারের কাউকে সংকোচে বলতে না পেরে, মেয়েরা কাগজে লিখে যখন নিজেরাই কিনতে যায় তখন সেই দোকানদারের দৃষ্টিভঙ্গিও স্বাভাবিক থাকে না। সমাজের এসব প্রচলিত ট্যাবুকে ভেঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের প্রতিনিধি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দশটি সুবিধাজনক নির্ধারিত স্থানে স্থাপন করেছি মেয়েদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন। যা মেয়েদের সমাজের কিছু প্রচলিত বিধিনিষেধকে ভেঙ্গে একধাপ এগিয়ে নিয়েছে। আমরা আহ্বান জানাই, শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নয় মেয়েদের স্বাস্থ্যঝুকির নিরাপত্তায় দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সকল কর্মক্ষেত্রে এই ভেন্ডিং মেশিনের সেবাটি চালু করা হোক।

আমরা নারীর ক্ষতায়ন রাজনীতিতে দেখতে পাচ্ছি৷ কিছু উঁচু পদে তাঁদের অবস্থান আছে৷ কিন্তু এটা কোনো সার্বিক চিত্র নয়৷ জেন্ডার ইকুয়ালিটি বলতে সব ক্ষেত্রে নারী পুরুষের সমান অংশগ্রহণ, সুবিধা আর অধিকারকে বুঝায়৷ নারীর ক্ষমতায়নের জন্য প্রধানত দরকার অর্থনৈতিক এবং সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষমত। এই দু'টি ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের নারীরা পিছিয়ে আছে।'' নারীর অধিকারের জন্য সবাইকে একত্রিত হয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সমাজের নির্যাতন ও নিপিড়নের বিরুদ্ধে এবং নিরাপদ সমাজ গড়ার শপথ নিতে হবে। মনে রাখতে হবে এ সমাজ তোমাকে বাধাগ্রস্থ করে প্রতিটি পদক্ষেপে কিন্তু মোমবাতির মত জ্বলতে হবে আপন শিখায়।

আরও পড়ুন আপনার মতামত লিখুন

© Copyright -Bangla Runner 2024 | All Right Reserved |

Design & Developed By Web Master Shawon