Bangla Runner

ঢাকা , সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬ | বাংলা

শিরোনাম

?????????? ?? ????? ??????? ?????????????? ?????? ???????????? ?????????? ??????? ????????????? ???????? ??? ?????, ????????? ????????? ???? ??? ????? ?????? ????? ?????? ???? ???? ????? ???? ??????: ????????? ??? ??? ????? ????? ???! ?????? ???????? ?????????? ???????, ????? ?? ????? ??? ??? ????? ??????? ???????? ???? ??????? ?-???? ??????? ??????? ???? ? ???? Important Quotations from Different Disciplines
Home / ?????????

‘উচ্চশিক্ষা চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে শিক্ষামন্ত্রী

‘সৎ মানুষ’ তৈরি না করলে তাকে ‘মানসম্মত শিক্ষা’ বলা যায় না

নিজস্ব প্রতিবেদক
শনিবার, ০৬ জুলাই, ২০১৯ Print


শিক্ষা যদি ব্যক্তিকে সৎ ও সচেতন না করে তবে তাকে ‘মানসম্মত শিক্ষা’ বলতে রাজি নন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ‘উচ্চশিক্ষা চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘‘আমি সৎ হলাম না, আমি পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন হলাম না, তাহলে সেই শিক্ষাকে আমি মানসম্মত শিক্ষা বলতে পারব না।”

৫ জুলাই, শুক্রবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে এই সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ।  মন্ত্রী বলেন, “আমরা খুব সচেতন থেকেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসটি কিন্তু বন্ধ করতে পেরেছি। আমি বিশ্বাস করি যে, আমরা সচেতন থাকলেই সব জায়গায় তা বন্ধ করা সম্ভব।”

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, “শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা স্বচ্ছতা চাই। এখানে ভিন্ন কিছু চাই না। মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ক্ষেত্রে শিক্ষক নিয়োগে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ আছে। সেখানে পরিপূর্ণ স্বচ্ছতা আনা হয়েছে। এখন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কিভাবে শিক্ষক নিয়োগ হবে, এর জন্য কোনো কমিশন গঠন করা হবে কিনা- এগুলো ভাবার সময় এসেছে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ভর্তি পরীক্ষা সম্পর্কে তিনি বলেন, “পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কোডিং করে পরীক্ষা নিতে হবে। ভর্তি পরীক্ষায় গোল্লা ভরাট বাদ দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের কমিউনিকেশন স্কিল, সহ-শিক্ষা কার্যক্রম বাড়াতে হবে। তাহলে পেশাগত জীবনে দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারবে।” আর ‘‘মানসম্মত শিক্ষার সঙ্গে কমিউনিকেশন স্কিল, সহ-শিক্ষা কার্যক্রম বাড়াতে হবে।” তা হলে পেশাগত জীবনে দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারবে বলে মনে করেন ডা. দীপু মনি।

চাকরিমুখী পড়ালেখা করলে উচ্চশিক্ষার দরকার নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘‘আমরা এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কথা বলছি। ফলে প্রথাগত চাকরির জগত বদলে যাবে। নতুন ধরনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। সে কর্মসংস্থানের জন্য এখন থেকেই কারিকুলাম তৈরি করতে হবে। এর জন্য ইন্ডাস্ট্রি এবং অ্যাকাডেমির মধ্যে সমন্বয় করতে হবে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসি জ্ঞান অর্জনের জন্য। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের বিষয়টিও ফেলে দেওয়া যায় না। তাই শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি দক্ষতাও বাড়াতে হবে। তবে জ্ঞানার্জন না করে চাকরির কথা ভাবলে তার জায়গা বিশ্ববিদ্যালয় নয়।’’

অন্যদিকে অনুষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। দীপু মনি বলেন, “২০২১ সালের প্রথম থেকে আমাদের প্রতিটি সাধারণ বিদ্যালয়ে এবং মাদ্রাসায় আমরা অন্ততপক্ষে কারিগরির দুটি বিষয় প্রতিটি বিদ্যালয়ে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। অর্থাৎ কেউ ম্যাট্রিক পাশ করে, এসএসসি পাশ করে আর পড়ার সুযোগ পেল না কিন্তু তার যে কর্মসংস্থানের সমস্যা না হয় সে যদি বিদেশেও যায়, দেশেও থাকে যেখানেই থাকুক তার যেন কর্মসংস্থানের সে একটা ব্যবস্থা করে নিতে পারে।”

গবেষণায় শিক্ষকদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “একজন শিক্ষক, একজন গবেষক, তার পরিচয় তিনি কতটা ভালো করছেন তার একটা দেখবার বিষয়- তিনি কতটা গবেষণা করলেন, কতটা পাবলিশ করলেন এবং কোথায় পাবলিশ করলেন। তবে আমি অনেক জায়গায় শুনেছি যে, আমাদের গবেষকরা অনেক সময় ভাষাগত কারণে কেউ কেউ আন্তর্জাতিক জার্নালে তাদের গবেষণাকর্ম দিতে দ্বিধাবোধ করেন।”ভাষাগত দিকটিতে সাহায্য, সহযোগিতা করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে টিম থাকা উচিত বলে মনে করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, অনেকেরই হয়ত ভাষাগত দিকটিতে দুর্বলতা থাকতে পারে কিন্তু তার গবেষণাটি অত্যন্ত উন্নতমানের, অত্যন্ত বিশ্বমানের হতে পারে। এজন্য সেই সহযোগিতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিস্টেমের মধ্যে থাকা উচিত।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের সভাপতিতে অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আশফাকুর রহমান ও ডাকসুর আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাহরিমা তানজিম অর্নি। প্রবন্ধে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন, লাইব্রেরী, শিক্ষক সংকট, গবেষণা ও গুণগত শিক্ষার অভাবের কথা তুলে ধরেন। মন্ত্রী তার বক্তৃতায় এসব সমস্যার বিষয়ে তার মনোভাব ব্যক্ত করেন।

‘উচ্চশিক্ষা চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক ওই সেমিনারে প্রধান বক্তা ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন ও শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন প্রমুখ।

আরও পড়ুন আপনার মতামত লিখুন

© Copyright -Bangla Runner 2024 | All Right Reserved |

Design & Developed By Web Master Shawon