শিরোনামঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতীকি মানববন্ধন
সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্বাভাবিক মৃত্যু শহীদদের জন্য অপমানজনক বলে মন্তব্য করেছে ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা। ১৪ জুলাই, রোববার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক প্রতীকি প্রতিবাদে অংশ নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন তারা। এ সময় এরশাদকে স্বৈরাচার আখ্যা দিয়ে তার প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন করে সংগঠনটি।
বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন থেকে ছাত্ররা বলেন, এরশাদ বাংলাদেশ একজন কুখ্যাত স্বৈরাচার শাসক। তার মত স্বৈরাচারের মৃত্যু হওয়ার কথা ছিল ফাঁসির দড়িতে কিন্তু তার হলো স্বাভাবিক মৃত্যু। যা শহীদদের জন্য অপমানজনক। তার স্বাভাবিক মৃত্যুতে শহীদ ডাক্তার মিলন, রাউফুন বসুনিয়া, জয়নাল এর মত শহীদদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে।’ এর জন্য ছাত্ররা বাংলাদেশের অপরাজনীতিকে দায়ী করেন।
এরশাদের শাসনামলে সংঘটিত সব রাজনৈতিক হত্যার বিচারের দাবিতে রোববার বিকেলে পাঁচটার দিকে সংগঠনটির একদল নেতাকর্মী শহীদ রাজুর পাদদেশে দাঁড়ায়। তারা এরশাদের স্বৈরাচারী কর্মকাণ্ডকে তুলে ধরতে প্রতীকি প্ল্যাকার্ড বহন করনে। যাতে লেখা ছিল এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে শহীদদের নাম। ছাত্রদের বুকে ঝুলানো প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল- ‘আমি নূর হোসেন, এরশাদ আমার খুনি’; ‘আমি জয়নাল, খুনি এরশাদের স্বাভাবিক মৃত্যু হতে পারে না’; ‘আমি রাউফুন বসনিয়া, আমার হত্যাকারী এরশাদের বিচার চাই’।
এরশাদকে বাংলাদেশের একজন কুখ্যাত স্বৈরাচার মন্তব্য করে ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল বলেন, ‘তার হাতে ক্ষমতা থাকার সময় ছাত্রদের উপর অনেক গুলিবর্ষণ করা হয়েছে। তাজুলের কথা আমরা জানি, তাকে হত্যা করা হয়েছে। শুধুমাত্র ঢাকা শহরে না, সারা দেশেই এরশাদের গুন্ডা ও সেনাবাহিনীর হাতে অগণিত মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন।
শহীদদের রক্তের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘একজন স্বৈরশাসক আজকে যে মর্যাদার সাথে মৃত্যুবরণ করলেন এটা তার সাথে হওয়ার কথা ছিল না। তাকে জেলখানা বা ফাঁসির কাষ্টে ঝুলে় মৃত্যুবরণ করার কথা ছিল। কিন্তু বাংলাদেশের অপ-রাজনীতির কারণে তিনি আজ রাষ্ট্রীয় ভাবে সম্মান পাচ্ছেন। তাই আমরা মনে করি এটি শহীদদের সাথে একটি প্রতারণা। ডাক্তার মিলন, রাউফুন বসুনিয়া, জয়নাল এর প্রতি অবিচার করা হয়েছে। আজকে আমরা এখানে ঘৃণা প্রদর্শন করছি।’
স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদে অংশ নিয়ে ছাত্র ইউনিয়নের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল করিম বলেন, ‘এরশাদ শ্রমিক আন্দোলন, ছাত্র আন্দোলন সব জায়গায় হামলা চালিয়েছে তার পুলিশ বাহিনী দিয়ে। সে সব হামলায় আমাদের অনেক ভাই শহীদ হয়েছেন। যাদের এখন পর্যন্ত আমরা হত্যার বিচার পাই নাই। তার স্বাভাবিক মৃত্যু আমাদের কাছে দুঃখজনক বিষয়। তাই আমরা তার প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন করতে এখানে দাঁড়িয়েছি। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে যারা অংশ নিয়েছিল তাদের হত্যার বিচার না করে এই এরশাদের মৃত্যুতে সরকার শোক জানাচ্ছে। এটা খুবই দুঃখজনক।’
ঘৃনা প্রদর্শনী এই নীরব প্রতিবাদে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অনিক রায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ সহ ছাত্র ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
আরও পড়ুন আপনার মতামত লিখুন
??????? ?????? ??? ??? ???
???????????? ?????????????? ??????? ?? ???? ???? ???!
???? ????? ???? ???? ??????? ???? ??? ??????????
???? ??? ???? ?????? ????? ??? ??? ?????? ??????? ???????
??????? ?????????
?????????? ?? ?????
??????? ?????????????? ?????? ???????????? ?????????? ??????? ?????????????
?????? ???????? ???? ??????
???????? ??? ?????, ????????? ????????? ???? ??? ?????
?????? ????? ?????? ???? ???? ?????
??????? ?????? ??? ??? ???
???????????? ?????????????? ??????? ?? ???? ???? ???!
???? ????? ???? ???? ??????? ???? ??? ??????????
???? ??? ???? ?????? ????? ??? ??? ?????? ??????? ???????
??????? ?????????
?????????? ?? ?????
??????? ?????????????? ?????? ???????????? ?????????? ??????? ?????????????
?????? ???????? ???? ??????
???????? ??? ?????, ????????? ????????? ???? ??? ?????
?????? ????? ?????? ???? ???? ?????