Bangla Runner

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৩ | বাংলা

শিরোনাম

বিশ্বের বৃহত্তম সাত স্টেডিয়াম যুদ্ধ লাগলেই কেন বাড়ে স্বর্ণের দাম? তথ্যপঞ্জী লেখার নিয়ম বিতর্কের বিষয় ব্যাংক বিতর্কে শব্দ ব্যবহারে সচেতন হতে হবে একজন ভাল লেখক হতে চাইলে এক নজরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক নজরে সুন্দরবন পরাগায়ন কাকে বলে? শৈবাল কী?
Home / ক্যাম্পাস

নোবিপ্রবিতে জুনিয়র কর্তৃক সিনিয়র লাঞ্ছনার অভিযোগ

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ০৫ নভেম্বর, ২০১৯ Print


নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের (১৩ তম ব্যাচ) জুনিয়র শিক্ষার্থীর দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের (৯ম ব্যাচের) সিনিয়র এক শিক্ষার্থীকে লাঞ্ছনার অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে প্রক্টর বরাবর লাঞ্ছিতের অভিযোগ করে ওই শিক্ষার্থী। 

অভিযুক্ত মোঃ মিরাজ মাহতাব বিশ্ববিদ্যালয় ১৩ তম আবর্তনের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী। জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস রাজনীতিতে মিরাজ নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি শফিকুল ইসলাম রবিন এর অনুসারী।

ভুক্তভুগী ওই শিক্ষার্থী জানান, একাডেমিক ভবন ১ থেকে মটর সাইকেল যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের মালেক উকিল হলে যাওয়ার পথে রাস্তায় অভিযুক্ত ওই শিক্ষার্থীর সাথে সংঘর্ষের উপক্রম হয়। তখন গতি কম থাকায় গাড়ী থেমে যায় এবং ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী তাকে একপাশ দিয়ে হাঁটতে বললে সে উল্টা তুই সম্বোধন করে হুমকি-ধামকি দিতে থাকে। 

ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে অন্য এক জুনিয়রের কাছে সে সিনিয়র জেনেও পরে দেখে নেয়ার হুমকি দেয় তাকে। একপর্যায়ে প্রত্যুত্তর না দিয়ে স্থান ত্যাগ করে আসাদ নামের ওই শিক্ষার্থী। পরক্ষনেই কাজ সেরে ফিরে আসার পথে হলের সামনে মিরাজ নামের জুনিয়র ওই শিক্ষার্থীর নেতৃত্বে ৭-৮ জনের গ্রুপ আসাদ নামের সিনিয়র ওই শিক্ষার্থীকে ফিল্মি কায়দায় ঘিরে ফেলে। 

এরপর মোটর সাইকেল থামিয়ে তাকে চড় থাপ্পড় মেরে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করতে থাকে। এবং সবাই মিলে পরবর্তীতে  আবার দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। পরবর্তীতে প্রক্টর অফিসে গিয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আসাদ উজ জামান নূর একটি লিখিত অভিযোগ করে।

ভুক্তভোগী আসাদ বলেন,আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এধরনের ঘটনা নতুন নয়। আমি চাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই বিষয়গুলো যেন সুন্দরভাবে সমাধান করে যাতে করে পরবর্তীতে কেউ এ ধরনের কাজ করার সাহস না পায় ।

ভুক্তভোগী আসাদ ফিশারিজ এন্ড মেরিন সায়েন্স (ফিমস) বিভাগের ৯ম আবর্তনের শিক্ষার্থী। ফিমস বিভাগের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর সরকার দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আসাদ আমার প্রিয় একজন ছাত্র। তার অনেক জুনিয়র হয়েও ছেলেটা এভাবে তাকে হেনস্থা করল যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের জন্য হুমকি স্বরূপ। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার করা হোক যাতে পরবর্তীতে কোন ছেলে এরকম করার সাহস না পায়।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত মিরাজ বলেন, আমরা তাকে লাঞ্ছিত করি নাই, উল্টা তিনি আমাদের কে লাঞ্ছিত করেছেন। প্রথম দফায় তিনি মোটরসাইকেল নিয়ে প্রায় আমাদের গায়ের উপর চলে আসেন এবং  দ্বিতীয় দফায় তিনি আবার বাইক নিয়ে দ্রুত গতিতে আমাদের দিকে তেড়ে আসেন এবং আমাদেরকে তুই তুকারি করে হেনস্থা করেন।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী প্রক্টর ইমরুল কায়েস বলেন, আমরা ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এবং অভিযুক্তকে সনাক্ত করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিব।

আরও পড়ুন আপনার মতামত লিখুন

© Copyright -Bangla Runner 2021 | All Right Reserved |

Design & Developed By Web Master Shawon