Bangla Runner

ঢাকা , রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২ | বাংলা

শিরোনাম

ট্যাক্শের গান গাই নজরুলের দর্শন ও চেতনা সব শ্রেণির মানুষকে অনুপ্রাণিত করে ঢাবিতে আগামীকাল পালিত হবে জাতীয় কবির ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী একুশে ডিবেটিং ক্লাবের নেতৃত্বে সাফিন ও আলিফ মুজিব মুজিব ডাক উঠেছে ঢাবিতে স্নাতক ১ম বর্ষের ক্লাস শুরু ৭ সেপ্টেম্বর ঢাবির জসীমউদ্দীন হল ডিবেটিং ক্লাবের নতুন কমিটি ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ ঢাবিতে বঙ্গমাতা’র উপর আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন আগামী ৭ আগস্ট যৌন নির্যাতনের অভিযোগে ঢাবি শিক্ষার্থী বহিস্কার
Home / ধর্মশালা

অল্প আমলে অনেক সাওয়াব

আজান ও ইক্বামতের মধ্যকার সময়ে করণীয়


শুক্রবার, ১৪ জুন ২০১৯ Print


আজান মানে ঘোষণা বা আহ্বান। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় নামাজ আদায়ের জন্য আরবি নির্দিষ্ট শব্দমালা দ্বারা উচ্চ স্বরে ঘোষণা দেওয়াকে আজান বলে। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের জন্য আজান দেওয়া সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ। নামাজের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার আগে আজান দেওয়া যাবে না। কখনো কেউ দিয়ে ফেললে ওয়াক্ত হলে আবার আজান দিতে হবে। নারীদের আজান ও ইকামাত দেওয়া জায়েজ নয়। আজান ও ইকামাত জামাতের নামাজের জন্য সুন্নত, একার জন্যও দেওয়া উত্তম।

আজানের পর নামাজ শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তেই দেয়া হয় ইক্বামত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আজানের পর মুমিন মুসলমানের জন্য কিছু করণীয় পালনের দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এ দিক-নির্দেশনা পালনে রয়েছে অনেক উপকারিতা। আর সবচেয়ে বড় উপকারিতা হলো বান্দা এ সময়টিতে যা চাইবে তা-ই পাবে। একাধিক হাদিসে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ রকম অনেক ঘোষণা দিয়েছেন।

            أشْهَدُ أَنْ لَّا إلَهَ إلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ ÙˆÙŽ أشْهَدُ أنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ ÙˆÙŽ رَسُوْلُهُ رَضِيْتُ بِاللهِ رَبًا وَّبِمُحَمَّدٍ رَّسُوْلاً وَبِالإسْلَامِ دِيْنًا

উচ্চারণ : ‘আশহাদু আললা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু; রাদিতু বিল্লাহি রাব্বাও ওয়া বিমুহাম্মাদির রাসুলাও ওয়া বিল ইসলামে দ্বীনা।’

অর্থ : আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, এক আল্লাহ ব্যতিত কোনো উপাস্য নেই, তার অংশীদার নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসুল। আমি আল্লাহকে রব হিসেবে এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রাসুল হিসেবে এবং ইসলামকে দ্বীন হিসেবে মেনে নিয়েছি। তাহলে তার গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।’ (মুসলিম, আবু দাউদ, মিশকাত)

মনে রাখা জরুরি: অল্প আমলের মাধ্যমেই মানুষ অনেক সাওয়াব লাভ করবে। প্রতিদিনই মানুষ আজান ও ইক্বামত শুনে থাকে। আজান ও ইক্বামতের উত্তর দেয়ার মাধ্যমেই মানুষ গোনাহ মাফ, নিশ্চিত জান্নাত লাভ এবং মনের একান্ত চাওয়াগুলোর পরিপূর্ণতা নিশ্চয়তা রয়েছে। সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত আজান শোনার সঙ্গে সঙ্গে আজানের শব্দগুলো যথাযথ উচ্চারণ করা এবং আল্লাহর কাছে একান্ত চাওয়াগুলো লাভে রোনাজারি করা। কেননা তাতে এক দিকে যেমন হাদিসের ওপর যথাযথ আমল হবে অন্যদিকে প্রিয় নবি ঘোষিত উপকারিতাগুলো অর্জিত হবে।

আরও পড়ুন আপনার মতামত লিখুন

© Copyright -Bangla Runner 2021 | All Right Reserved |

Design & Developed By Web Master Shawon